পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০১৮ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

পুষ্পরানী

ছবি
পুষ্পরানী জ্যোতির্ময় বিশ্বাস আনন্দ কীর্তনিয়ার সঙ্গে ছিলো প্রেম। সূর্যপূজার নাড়ু আর ধূপের গন্ধঅলা মরসুমে আনন্দ কীর্তনিয়া আসতো পাড়ায়। পদাবলী গেয়ে চলেও যেতেন। একবার শীতকালে, বড় বড় সব বাস যতদূর যায়– কীর্তনিয়া, শেষবার, তারও চেয়ে বহুদূর গেলেন চলে। হয়তো বৃন্দাবনে, যেখানে যাবার কথা প্রায়শই গানেগানে বলতেন। পুষ্পরানী বিধবা মায়ের সঙ্গে কাঁথা ভাগাভাগি ক’রে তখনও শুয়ে। এবং শুয়ে থাকলো সেভাবে একশো বছর। একশো বছরে কাঁথাটি ছেড়েনি, আবছা বেগুনি রং জামের মত সে শীতও কাটেনি পুষ্পরানীর। তাই আজ যদিও বর্ষাকাল, পুষ্পরানীর প্রয়াণদিবসে দেখা যায়– বৃষ্টিপতনের ঘ্রাণ সরিয়ে চারিপাশ শিশিরপাতের শব্দ দিয়ে ভরা। কাঁথার ভিতরে মা’ও নেই। যথাসময়ে চলে গেছে সে। স্বামীও ছেড়েছিলো সেই কোনদিন। শীতকাল, পদাবলী আর আনন্দদোষে।

শ্বাস ও স্মরণের কাব্য

ছবি
ছবি: সুপর্ণা মণ্ডল শ্বাস ও স্মরণের কাব্য সুপর্ণা মন্ডল জ্যোতির্ময় বিশ্বাস জ প্রতিটি রোমকূপ যেন ফড়িংয়ের বাসা হ'য়ে আছে। বেফড়িং করো, হাওয়া করো আর নির্মেঘ করো এই আয়তন। আর স্নান চাইনা। সমস্ত জল কেচে নামাও। প্রিয়, নির্বিঘ্ন করো, হও, রাখো… স ভিজে গেছো জ‍্যোৎস্নায়, জলে।  অপচয় মনে করে শব্দ কি বেঁধে রেখেছিলে? সমাধির পাদদেশে নেই ফুল। ভালোবাসা বলে, বর্ষণ শেষ হবে পৌষের হিমেল অনলে। জ কী করবো, বসবাস মানেই তো শুধু কতগুলো এখান আর ওখান। তাতে সবার বিদেশ একা অধিকার ক'রে ব'সে আছি। এ'বাড়ি কেউ আসেনা। অথচ বর্ষণ,পৌষ ,হিম, রোমকূপ সকলই যথেষ্ট মজুত। আসলে, বিদেশ তো। সক্কলকার। স বিরহের জল খুঁড়ি, নাম দিই তাকে ভৌমজল। উচ্চগতি নদীও মধ‍্যগতি নামে অবিরল। নামে। জল নামে, স্থলও নামে ত্রিভঙ্গমুরতি! যতটুকু লাভ তার ততখানি নয় কিন্তু ক্ষতি। জ যত প্রদেশ ততখানি সুনসান, তবু সমাগম বলবো বলছো? এদিকে ব্যক্তি আগত হচ্ছে দ্বারে,  ভাগ বুঝে নেবে জল থেকে জল। আর আমাদের নাকি 'আমি-তুমি' ছেড়ে অন্য কোথাও অন্য কিছু অন্য কোনো...