রোদের ইতিকথা | রঘুবীর সহায়
রোদের ইতিকথা রঘুবীর সহায় অনুবাদ: সুপর্ণা মণ্ডল এখানে এই পার্কে বসে কি করছ এই বয়সে তো তোমার কোন চেয়ারে বসে বসে কলম পেষার কথা। একটা সই বা একটা দীর্ঘায়িত সমালোচনার তফাত কি দুজনে পরস্পর মিলে যায় শেষ অব্দি। এই কবিতাটা সেই গতানুগতিক শৈলীতে কেন লিখতে শুরু করলে বহমান গদ্যের পঙক্তিতে: অতীতে কেউ নিশ্চয় এটা করে দেখেছে কিন্তু এরা নতুন কারণ আমি এদের প্রথমবার লিখছি: আর হয় কি করে পঙক্তির শুরুতে এসে গেল এটা আমি প্রথমবার নিশ্চিতভাবে জানতে পারছি এই পারছি তো শেষে এল(হয়ও ছিল) দেখো ব্যাপারটা এমন যে আমি নতুন করে জানছি নিজেকে আর সবাইকে কিন্তু এবার যেন মনে থাকে কোন ছন্দ চাই না ওরা সব পাখিদের ছন্দহীন কলতানকে নষ্ট করে ফেলবে আর এই সবুজ বল্কলযুক্ত বৃক্ষ এই এত খোলামেলা পরিবেশ তো আগেই চেনা ছিল এতটা আকাশ আর অবকাশ এখনও অবশিষ্ট আছে(আবার সেই ছন্দ!) এই পৃথিবীতে যেখানে শোষণের ইতিহাসে স্থির হয়ে বসার পরিবর্তে এক জায়গায় সোজা হেঁটে চলেছি এখন উঠে পড়েও চলব শুধু অতীতে নয় যেখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই চলে গিয়েছিলাম ভবিষ্যতেও যাবো এখান থেকে ওখানে যতদূর শরণ থাক কিন্তু যা করছি তা পলায়ন নয় খোলা ...