শ্বাস ও স্মরণের কাব্য
| ছবি: সুপর্ণা মণ্ডল |
শ্বাস ও স্মরণের কাব্য
সুপর্ণা মন্ডল
জ্যোতির্ময় বিশ্বাস
জ
প্রতিটি
রোমকূপ যেন ফড়িংয়ের বাসা হ'য়ে আছে। বেফড়িং করো, হাওয়া করো আর নির্মেঘ করো
এই আয়তন। আর স্নান চাইনা। সমস্ত জল কেচে নামাও। প্রিয়, নির্বিঘ্ন করো, হও,
রাখো…
স
ভিজে গেছো জ্যোৎস্নায়, জলে।
অপচয় মনে করে শব্দ কি বেঁধে রেখেছিলে?
সমাধির পাদদেশে নেই ফুল। ভালোবাসা বলে,
বর্ষণ শেষ হবে পৌষের হিমেল অনলে।
জ
কী
করবো, বসবাস মানেই তো শুধু কতগুলো এখান আর ওখান। তাতে সবার বিদেশ একা
অধিকার ক'রে ব'সে আছি। এ'বাড়ি কেউ আসেনা। অথচ বর্ষণ,পৌষ ,হিম, রোমকূপ সকলই
যথেষ্ট মজুত। আসলে, বিদেশ তো। সক্কলকার।
স
বিরহের জল খুঁড়ি, নাম দিই তাকে ভৌমজল।
উচ্চগতি নদীও মধ্যগতি নামে অবিরল।
নামে। জল নামে, স্থলও নামে ত্রিভঙ্গমুরতি!
যতটুকু লাভ তার ততখানি নয় কিন্তু ক্ষতি।
জ
যত
প্রদেশ ততখানি সুনসান, তবু সমাগম বলবো বলছো? এদিকে ব্যক্তি আগত হচ্ছে
দ্বারে, ভাগ বুঝে নেবে জল থেকে জল। আর আমাদের নাকি 'আমি-তুমি' ছেড়ে অন্য
কোথাও অন্য কিছু অন্য কোনোরকম…
স
‘আমি-তুমি’ ছেড়ে সে বা তাহারা বলি
বের করা যাক সেইই পুরাতন ঝুলি।
হারমোনিয়াম স্বরলিপি থাক কিছু
ফিরতে হবেনা জ্যোৎস্নার পিছুপিছু।
জ
খুব চেনা গলির যেমন স্বভাব, পায়েপায়ে ঘোরা, তাকে বিশেষ মনে রাখতে হয়না।জীবন এর'চে আর অন্য কিসে গড়া, তবু ভুল হ'য়ে গেলো গানে।
স
গলির সুগন্ধী খাম ফিরে-দেখা অজুহাত শোনে।
অচেনা তবুও কত ছবি ছিল শব্দের মনে।
মানতের ঢিলগুলো খুলে খুলে পড়ে গেছে সব।
ভালোবাসা সেইদিন পড়েছিল দেবতার স্তব।
জ
আর
আত্মমৃত্যু বিষয়েও দু'জনেরই কিছু ভেবে নিতে হবে। চলো, স্মৃতি ছাড়া আর কিছু
বুঝিনা তাকে। মনে পরা ইত্যাদিকেউ ঠিক বুঝে নেবে। আমার পক্ষ থেকে
হাওয়াটুকু ঝেড়ে ফেলে বেলুনের ছুটি।
স
এলোমেলো উড়বেই উদাসীন বেলুনের হাওয়া।
চলে যাবে বলে নয় ঠিক কোন কোন চলে যাওয়া।
তবু যেতে হয় মাঝে মাঝে সের’ম দৈর্ঘ্যের ছুটি পেলে
হাত নেড়ে চলে যায় ভাঙাবুক জংধরা ছেলে।
চমৎকার লেখা
উত্তরমুছুনখুব সুন্দর লেখা গুলো
উত্তরমুছুনএক্সেলেন্ট!
উত্তরমুছুন